শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

মেসিদের স্বপ্ন জয়ে দেশজুড়ে ভক্তদের আনন্দ-উল্লাস

কাতার বিশ্বকাপের শেষ বাঁশি বেজে উঠার সঙ্গে সঙ্গে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান। কাঙ্ক্ষিত সেই সোনালি ট্রফি ছুঁয়েছেন মেসি। আর এর সাথে সাথে বাংলাদেশে লাখ লাখ আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকদের স্বপ্নও সত্যি হলো। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৩-৩ সমতার পর টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৪-২ গোলে হারায় মেসি-মার্টিনেজরা। তাদের এই রোমাঞ্চকর জয় মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে হাজার মাইল দূরের বুয়েনোস আইরেস বা বাংলাদেশের ভক্ত সমর্থকদের মাঝে।

দীর্ঘ ৩৬ বছর প্রতীক্ষার পর কোটি কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ এনে দিলেন ফুটবল যাদুকর লিওনেল মেসি। তার এ জয়ে সারা দেশে মেসি ভক্তদের মধ্যে ছিল বাড়তি উন্মাদনা যা জয়ের মধ্য দিয়ে উল্লাসে রূপান্তরিত হয়। কারণ বিশ্ব জয়ের চেষ্টায় ৪ আসরে শূন্য হাতে ফিরলেও এবার ঠিকই মেসি ফিরছেন নিজের প্রাপ্যটুকু নিয়ে।
আর্জেন্টিনা বিশ্বসেরা হওয়ায় সারাদেশে উচ্ছ্বাসে মেতেছে সমর্থকরা। ফাইনাল খেলা শেষ হওয়ার সাথেসাথেই নেচে-গেয়ে আনন্দ-উল্লাসে মাতেন কোটি মেসিভক্ত। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন সমর্থকেরা। টিএসসি, পুরান ঢাকা, গুলশানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল করেন তারা। মেসি মেসি স্লোগান আর ভামোস আর্জেন্টিনা স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখোরিত।

সারা রাত ফুটছে আতশবাজি-পটকা। ঢোল পিটিয়ে চলছে নাচ-গান। সঙ্গে ভুভুজেলার শব্দ। উম্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি অলি-গলিতে। ফ্রান্সের বিপক্ষে মেসি-মার্টিনেজের খেলা বড় পর্দায় দেখতে সন্ধ্যার পরই জড়ো হতে থাকেন হাজারো ফুটবলপ্রেমী। রাজধানী ছাড়াও চট্টগ্রামের হালিশহর, জামালখান, লালখান বাজার, বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্তত ২৫টি স্থানে দেখানো হয় ফাইনাল। খেলা চলার সময় প্রিয়দলের সমর্থনে উল্লাস করেন দুই দলের সমর্থকেরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বেলদারপাড়া মোড়সহ নগরীর অনেক পয়েন্টে বড় পর্দায় দেখানো হয় খেলা। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে খেলা উপভোগ করেন অনেকে। বগুড়ার শহরের বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে বড় পর্দায় খেলা দেখতে ভিড় করেন ফুটবলপ্রেমীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com